
ঢাকায় বাসা শিফটিং মানেই যানজট, সিঁড়ি, লিফটের সময় আর হাজারটা জিনিস। একটু আগে থেকে পরিকল্পনা করলে পুরো দিনটা অনেক সহজ হয়ে যায়। আমাদের সুপারভাইজাররা প্রতিটি পরিবারকে যে টিপসগুলো দেন, সেগুলোই এখানে।
১. আগে সার্ভে করিয়ে নিন
ফোনে আন্দাজে দাম না নিয়ে একটি ফ্রি সার্ভে ভিজিট নিন। সার্ভেয়ার আপনার জিনিস, তলা, লিফট আর রাস্তা দেখে নির্দিষ্ট কোটেশন দেবেন — শিফটিংয়ের দিন বাড়তি চার্জের ভয় থাকবে না।
২. বিল্ডিংয়ের অনুমতি নিন
পুরনো ও নতুন দুই বাসার কেয়ারটেকারকে তারিখ ও সময় জানান। অনেক বিল্ডিংয়ে নির্দিষ্ট সময়ে শুধু লিফট ব্যবহার করা যায়।
৩. অপ্রয়োজনীয় জিনিস কমান
পুরনো কাপড়, ভাঙা আসবাব আর অব্যবহৃত জিনিস আগেই দান বা বিক্রি করুন। কম জিনিস মানে ছোট ট্রাক আর কম খরচ।
৪. দামি জিনিস নিজের কাছে রাখুন
গয়না, টাকা, দলিল, পাসপোর্ট আর ল্যাপটপ আলাদা একটি ব্যাগে নিজের সাথে রাখুন।
৫. প্রতিটি কার্টনে লেবেল দিন
কোন রুমের জিনিস আর ভেতরে কী আছে — কার্টনের গায়ে লিখে দিন। নতুন বাসায় খুলতে অনেক সময় বাঁচবে।
৬. ফ্রিজ ও এসি আগে থেকে প্রস্তুত করুন
শিফটিংয়ের আগের রাতে ফ্রিজ বন্ধ করে খালি করুন। এসি খোলা ও লাগানোর কাজ টেকনিশিয়ান দিয়ে করান — এতে গ্যাস ও যন্ত্রাংশ নিরাপদ থাকে।
৭. প্রথম রাতের ব্যাগ গুছিয়ে রাখুন
কাপড়, ওষুধ, চার্জার, টয়লেট্রিজ আর বাচ্চাদের দরকারি জিনিস একটি আলাদা ব্যাগে রাখুন।
৮. সকাল সকাল শুরু করুন
ঢাকার যানজট এড়াতে সকালেই লোডিং শুরু করা ভালো। দূরপাল্লার শিফটিং হলে রাতের ট্রাক চলাচলের নিয়ম মাথায় রাখুন।
৯. একজন সুপারভাইজার নিশ্চিত করুন
পুরো কাজের দায়িত্বে একজন সুপারভাইজার থাকলে কোনো জিনিস হারানো বা ভুল রুমে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
১০. শেষে মিলিয়ে নিন
সব জিনিস নামানোর পর সুপারভাইজারের সাথে একবার ঘুরে দেখুন — আসবাব ঠিক জায়গায় আছে কিনা, কোনো ক্ষতি হয়েছে কিনা।
ঢাকায় বাসা শিফটিংয়ের জন্য আজই ফ্রি সার্ভে বুক করুন, অথবা ইনস্ট্যান্ট এস্টিমেট নিন। হটলাইন: 09697-333030।